সেবায়, আদর্শে ও আমানতদারিতায়
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতার সাথে মানবসেবা এবং দ্বীনি কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে আমাদের পাঁচটি বিশিষ্ট ফোরামের পরিকল্পিত কর্মপদ্ধতি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।
আল-আমানাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত "জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬"। সারা দেশে কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে এবং নতুন প্রতিভা বিকাশে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
সভাপতি, হুফ্ফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
শাইখের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচারকার্য পরিচালিত হবে।
প্রতিটি ফোরামের দায়িত্ব, কাজের ধরন এবং প্রাতিষ্ঠানিক একতার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা।
মূল কাজ
অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা
ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য আর্থিক, উপকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রদান।
মূল কাজ
অভিভাবকত্ব, পরামর্শ ও সামাজিক সংযোগ
ফাউন্ডেশনের অভিভাবকসুলভ সামাজিক শক্তি হিসেবে সমাজে পরিচিতি ও বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি।
মূল কাজ
জ্ঞান, নীতি, পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা
ফাউন্ডেশনের বুদ্ধিবৃত্তিক, শরিয়াহভিত্তিক ও নীতিগত পরামর্শের মূল চালিকাশক্তি।
মূল কাজ
সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ নির্বাহী কাঠামো
ফাউন্ডেশনের মূল পরিচালনাকারী, তদারককারী ও সমন্বয়কারী নির্বাহী পরিষদ।
মূল কাজ
মাঠপর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও মানবসম্পদ
ফাউন্ডেশনের মূল মাঠকর্মী, যারা প্রত্যক্ষভাবে মানুষের দুয়ারে সেবা পৌঁছে দেন।
কে কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে এবং কীভাবে প্রতিটি পদক্ষেপ একটি অন্যটির সাথে সংযুক্ত:
স্থায়ী তহবিল ও অনুদান প্রদান
অভিভাবকত্ব ও স্থানীয় পরিচিতি
শরিয়াহ ও বিষয়ভিত্তিক পরামর্শ
সার্বিক পরিচালন ও অনুমোদন
বাস্তবায়ন ও তথ্য সংকলন
মাঠপর্যায় ➔ পরিচালনা পর্ষদ ➔ উপদেষ্টা/অভিভাবক মূল্যায়ন ➔ পৃষ্ঠপোষক ফোরামে চূড়ান্ত হিসাব পেশ
একটি প্রকল্প কীভাবে শুরু হয়ে শেষ হয় তা প্রতিটি ধাপ সিলেক্ট করে ফোরামের সমন্বয় দেখুন:
৩১৩ সংখ্যাটি ঐতিহাসিক ও প্রতীকী উদ্দেশ্যে রাখা হলেও বাস্তব ক্ষেত্রে সরাসরি ৩১৩ জনকে একক মিটিং বা সিদ্ধান্তে না রেখে অঞ্চলভিত্তিক সুসংগঠিত কাঠামোতে বিন্যস্ত করা হবে।
* এভাবে ভবিষ্যতে আল-আমানাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করা সম্ভব হবে। ইনশাআল্লাহ।